1. mdabirhossain.6894@gmail.com : Abir Hossain : Abir Hossain
  2. info@diprohor.com : admin :
  3. bappi.kusht@gmail.com : Bappi Hossain : Bappi Hossain
  4. biplob.ice@gmail.com : Md Biplob Hossain : Md Biplob Hossain
  5. mahedi988.bd@gmail.com : Mahedi Hasan : Mahedi Hasan
  6. mamunjp007@gmail.com : mamunjp007 :
  7. media.mrp24@gmail.com : এস এইচ এম মামুন : এস এইচ এম মামুন
  8. rakib.jnu.s6@gmail.com : Rakibul Islam : Rakibul Islam
  9. mdraselali95@gmail.com : Rasel Ali : Rasel Ali
  10. rockyrisul@gmail.com : Rocky Risul : Rocky Risul
  11. rouf4711@gmail.com : আব্দুর রউফ : আব্দুর রউফ
  12. sohan.acct@gmail.com : Sohanur Rahman : Sohanur Rahman
‘আক্ষেপ’ ‘আফসোস’হলো, জয়টাও এলো! | দ্বিপ্রহর ডট কম
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৯ অপরাহ্ন

‘আক্ষেপ’ ‘আফসোস’হলো, জয়টাও এলো!

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম: সোমবার, ৩ জুন, ২০১৯
  • ৭৯৫ বার পঠিত
‘আক্ষেপ’ ‘আফসোস’হলো, জয়টাও এলো!

ভক্সহল স্ট্যান্ডে একটা মজার দৃশ্য দেখা গেল বিকেলে। ক্রমাগত গলা ফাটিয়ে যাচ্ছেন চার-পাঁচজন দক্ষিণ আফ্রিকান দর্শক। বাংলাদেশের কোনো বোলার বোলিং করতে এলেই তাঁরা ‘বুউউউউ’ করছেন। আর প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানরা এক রান নিলেও করতালি দিয়ে ‘সাবাশ, সাবাশ’ করছেন। এ গ্যালারিতে থাকা বাংলাদেশের দর্শকেরা এটি অনেকক্ষণ চুপচাপ হজম করলেন।

২৬ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ২ উইকেটে ১৪৩। উইকেটে থিতু হয়ে গেছেন ফাফ ডু প্লেসি আর ডেভিড মিলার। ২৭তম ওভারে মেহেদী হাসান মিরাজ এনে দিলেন গুরুত্বপূর্ণ এক ব্রেক থ্রু। এবার বাংলাদেশি দর্শকদের পায় কে! গ্যালারির ওপরের ধাপ থেকে নিচে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকার দর্শকদের সামনে এসে চিৎকার করে, উল্লাস করে তাঁরা শুনিয়ে গেলেন, ‘বাংলাদেশ! বাংলাদেশ!’

মিরাজ ব্রেক-থ্রু এনে দেওয়ার ঠিক দুই ওভার পর আবার হাসি ফিরে পেলেন দক্ষিণ আফ্রিকান দর্শকেরা—সাকিব আল হাসানের বলে মিড অফে ডেভিড মিলারের ক্যাচ ফেললেন সৌম্য সরকার। মুহূর্তে ওভালের গ্যালারি থেকে ভেসে এল আফসোসের ধ্বনি—‘ওহ…!’ যেহেতু লাল-সবুজের দর্শক বেশি আজ, করতালি-হর্ষধ্বনির শব্দ যেমন তীব্র, আফসোসের শব্দটাও তেমনি কানে বাজল।

বাংলাদেশের দর্শকদের এমন আফসোস শোনা গেল আরও বেশ কয়বার । ৩৪তম ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানের বলে আপার কাট করেছিলেন মিলার। থার্ডম্যানে একটু দেরিতে সাড়া দেওয়ায় বলটা হাতে জমাতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ। মিলারকে শেষ পর্যন্ত আউট করেছেন মোস্তাফিজই। তবে সৌম্য-মাহমুদউল্লাহ যদি ক্যাচ ঠিকঠাক হাতে জমাতে পারতেন, মিলারের ওই রানটাও করা হয় না। ক্যাচ হাতছাড়া, অন্তত তিনটি রানআউট হাতছাড়া—বারবার হাফ চান্স হাতছাড়ার আফসোসে পুড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে।

ভাগ্যও কখনো কখনো খেলেছে বাংলাদেশকে নিয়ে। মোস্তাফিজের বলে জেপি ডুমিনি যেমন এলবিডব্লুর হাত থেকে বেঁচে গেলেন রিভিউ নিয়ে। অসাধারণ ব্যাটিংয়ের পরও বাংলাদেশের দর্শকদের যে ‘উহ-আহ’ করতে হলো, হাফ চান্সগুলো কাজে না লাগাতে পারায়।

নাহ্! শোষ পর্যন্ত এসব ‘উহ-আহ’ মধুর স্মৃতি হয়েই রইল বাংলাদেশের কাছে। যাবতীয় ‘দুর্ভাগ্য’ ফুৎকারে উড়ে গেল মাশরাফি, সাকিবদের পেশাদারি পারফরম্যান্সের কাছে। ওভালকে ‘লাল-সবুজ’ রঙের আঁধার বানিয়ে বিশ্বকাপে শুভ সূচনাটা হয়ে গেল বাংলাদেশের।

বাংলাদেশের জন্য এমন দিন বারবার আসুক এবারের বিশ্বকাপে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দ্বিপ্রহর ডট কম-২০১৭-২০২০
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazardiprohor11