দিন শেষ খুঁজে দেখি হারিয়ে গেছি আমি, রাত হলেই হাতড়ে খুঁজি কোথাই আছো তুমি। দিনে-রাতে শূন্য সবই, নিস্ক্রিয় আমি, বিষক্রিয়া হয় না আমার মনোস্ক্রিয়া চলে। নির্দ্বিধাতে বাঁধা ভেঙ্গে আনবো শরীর
আমি আধো ঘুমে তোমার পানে এখনো চেয়ে আছি, রাত বাড়লেই কষ্ট গুলো আমায় কাঁদাতে আসে। পাঁশ ফিরে পাঁশবালিশে হাতটা রেখে ভাবি, থাকলে তুমি আমার কাছে কষ্ট যেত বনবাসে। সকাল হলেই
তোমার আদরে বাদর হয়েছি, দুষ্টু হয়েছি অনেক। কতো বকেছো কতো মেরেছো, তাড়িয়ে দিয়েছ বাড়ি থেকে। সন্ধা কালে খুজে ফিরেছো, ফিরিনি যখন কোলে। তোমার বলে বলতে শেখা, মাথা উঁচু করে বাঁচা।
গল্পটা চার বন্ধু হরি, শেখর, অসীম ও সঞ্জয়ের। ইস্কুল থেকে এদের বন্ধুত্ব। অসীম-ই এর মধ্যে রোজগার করা ব্যাক্তি ছিল, আগে সে ডাক্তারি করত। তাদের জীবন ছিল একঘেয়েমি পূর্ণ, ভবিষ্যতে কি করবে
জিততে তোমার মন যেতে হবে বৃত্তের বাইরে। নগ্ন পায়ে তুমি চলছ আমার অঞ্চল দিয়ে। দৃশ্যত তোমার যায় না দেখা, থাকো অন্তরালে। তোমায় ছোঁয়া সে তো অবান্তর কথা। তোমার কথার ঝুরি
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর একটা অসম্ভব সুন্দর প্রেমের চিঠি লিখেছিলেন। তাঁর শেষ চিঠিঃ প্রিয়তমা মিলি, একটা চুম্বন তোমার পাওনা রয়ে গেলো….সকালে প্যারেডে যাবার আগে তোমাকে চুমু খেয়ে বের না হলে আমার দিন
এই কি তোর সেই সজলতা? যাকে তুই হারিয়ে ফেলেছিস সময়ের স্রোতে? সেই সজলতা এখন শুয়ো পোকা থেকে প্রজাপতি আর তুই সেই চোখে ঝাপসা দেখা দূর গ্রামের দাড়িয়ে থাকা তালগাছটার মতো
আমার যখন জন্ম নিতে ইচ্ছে করে, তখন আমি রোদ্দুরের ওপর, জল কাদার ওপর, মাঠের কুয়াশার ওপর শুয়ে পড়ি। আমার যখন জল তেষ্টা পায় তখন মেয়েদের কথাবার্তা শুনি, বন্ধুর বোনকে
আমাদের একটা সহজাত স্বভাব আছে। একবার যদি কোন কিছু বলে বসি তো সেটা করবোই ধরণের স্বভাব। কিন্তু আদতে তা আমরা কোন দিনই করে উঠে পারিনা। পারা সম্ভবও হয় না। ধরা
সম্পর্ক গুলা কেমন জানি। দুর্গন্ধ অথবা সুগন্ধ। যেভাবেই থাক’না কেন ঠিকই ছড়িয়ে পড়বে। দিন খন ঠিক মনে পড়ে না। ২০১০ সালের পরে পারিবারিক ভাবে ভূগোলিক পরিবর্তন হয় আমাদের। অর্থাৎ, বাড়ির