জীবন এখানে এলোমেলো এক শব্দ হাওয়ায়-হাওয়ায় মিলিয়ে যাওয়া বৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে। এই নদীতীরে গঙ্গার ভরাঘট দেবমন্দির-‘কবর ভুমি’ শিবালয় উপাসনার কেন্দ্রস্থল সবকিছুতেই- এক জীবন-জীবন্ত একই জীবন। এই ললনার মুখশ্রী
তুমি এই করছো ভালো তোমায় চাইছি এলোমেলো। তুমি এসো বুকের মাঝে তোমায় রাখবো হৃদ কোমলে। তুমি উষ্ণ বুকে সুখ শুষে থাকবে চিরকাল তোমায় ভালোবেসে মরবো আমি
কুয়াশা ঢাকা চাদরে দু’হাত ভরা আদরে আলসেমি কফি কাপে চুমু দেবো তোর ঐ ঠোঁটে। তারাগুলো গেল ভুল পথের দিক ঘুম হারালো আমার দু’চোখ চাঁদ দিশেহারা তোর ঐ চোখে সুখ খুঁজে
“A film is never really good unless the camera is an eye in the head of a poet.” — Orson Welles এক ঘূর্ণিয়মান নিম্ন মধ্য বিত্ত দাম্পতির ভালোবাসার সংগ্রামে ঠিকে
ফ্রান্সের লিয়ঁ শহরের চিত্রকর আঁতোয়া লুমিয়ের চিত্রকর্মে আর্থিক সুবিধা করতে পারছিলেন না। ফলে হুট করেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন ছবি আঁকা ছেড়ে দেবেন। উপার্জন করাটা খুব বেশি জরুরী হয়ে পড়ছিল
ওয়ার অ্যান্ড পীস কিংবা আনা কারেনিনা খ্যাত ঔপন্যাসিক তথা রুশ সাহিত্যিক লিও তলস্তয়ের জীবনের পড়ন্ত বেলার মর্মস্পর্শী চিত্রায়নে চলচ্চিত্র দ্য লাস্ট স্টেশন। দেশঃ জার্মানি, রাশিয়া ও যুক্তরাজ্য। পরিচালকঃ মাইকেল হফম্যান।
আমি অন্তঃপুরের মেয়ে, চিনবে না আমাকে। তোমার শেষ গল্পের বইটি পড়েছি, শরৎবাবু , ‘বাসি ফুলের মালা’। তোমার নায়িকা এলোকেশীর মরন দশা ধরেছিল পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে। পঁচিশ বছর বয়সের সংগে ছিল
১ জামার ভিতর থিকা যাদুমন্ত্রে বারায় ডাহুক, চুলের ভিতর থিকা আকবর বাদশার মোহর, মানুষ বেবাক চুপ, হাটবারে সকলে দেখুক কেমন মোচর দিয়া টাকা নিয়া যায় বাজিকর। চক্ষের ভিতর থিকা সোহাগের
নিলক্ষা আকাশ নীল, হাজার হাজার তারা ঐ নীলে অগণিত আর নিচে গ্রাম, গঞ্জ, হাট, জনপদ, লোকালয় আছে ঊনসত্তর হাজার। ধবলদুধের মতো জ্যোৎস্না তার ঢালিতেছে চাঁদ – পূর্ণিমার। নষ্ট খেত, নষ্ট
ক্ষণে ক্ষণে বৃষ্টি বইছে বাতাস, অভিমানী আকাশ তুমি অভিমানী আকাশ। কানে কানে কতো কথা বলে যায় রয়ে যায় মনে সবই ক্ষয়ে যায় কাল। এই অ-কালে প্রেমাতালে হয়েছি মাতাল তোমাতেই বৃত্ত